আমিরাতে প্রবাসী সনাতনী ঐক্য পরিষদের আয়োজনে পিঠা উৎসব

মরুর বুকে শীতের আমেজে বাহারি পিঠার পসরা সাজিয়ে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী, মুখরোচক ও লোভনীয় বিভিন্ন ধরনের পিঠা নিয়ে জমজমাট ‘ পিঠা উৎসব’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী সনাতনী ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে শীতের আমেজে এই পিঠা উৎসব আয়োজন করে প্রবাসী সনাতনী ঐক্য পরিষদ।

রবিবার (৮ই ফেব্রুয়ারী) শারজাহ ন্যাশনাল পার্কে আয়োজিত উক্ত পিঠা উৎসবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী সনাতনী ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যকরী পরিষদের কেন্দ্রিয় সদস্যবৃন্দ।

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তৈরি জনপ্রিয় পিঠা স্থান পায় এই উৎসবে। পিঠার মধ্যে ছিল দুধ চিতই, রস মঞ্জুরি, ঝাল পাটিসাপটা, খলা ঝালি পিঠা, নারকেল নাড়ু, পাটিসাপটা, বাসবুসা পিঠা, ভাপা পিঠা, তেলের পিঠা, ডিম পোয়া পিঠা, পুলি পিঠা, নারকেল পিঠা, নোনাস পিঠাসহ বাহারি নামের ও স্বাদের পিঠা পরিবেশন করা হয়।

এপার বাংলা ও ওপার বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে আয়োজিত পিঠা উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা। শিশুদের খেলাধুলার পাশাপাশি পুরুষ মহিলা ও দম্পতি জন্য আলাদা আলাদা খেলার আয়োজন উৎসবে যোগ করে বাড়তি উচ্ছ্বাস ও প্রতিযোগিতার রঙ।

বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণকারী শিশু, নারী ও পুরুষদের মধ্য থেকে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারীদের হাতে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়, যা উৎসবের আনন্দকে করে তোলে আরও স্মরণীয়।

এছাড়া পিঠা উৎসবে যে সকল মা বোনেরা পিঠা তৈরি করে নিয়ে এসেছেন তাদের মধ্য থেকে বিচারকদের বিবেচনায় তিন জনকে বিজয়ী ঘোষনা করা হয় এবং আকর্ষণীয় পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি অজিত কুমার রায় বলেন, ঐতিহ্যবাহী পিঠার সমাহার প্রবাসীদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় গ্রামের উঠান, শীতের সকাল আর শেকড়ের টানে। এই আয়োজন প্রমাণ করে, হাজার মাইল দূরেও বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধন আজও অটুট।

আয়োজকদের মতে, প্রবাসী সমাজকে এক সুতোয় গাঁথতে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরতেই তাদের এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on email
Email