সেতু-রেললাইন সংস্কার, কমেছে ট্রেন দুর্ঘটনা

বায়েজিদ ডেস্ক :  মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় সিলেট থেকে ঢাকাগামী উপবন এক্সপ্রেস সেতু পার হওয়ার সময় সেতুটি ভেঙে গেলে দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত হন। ঘটনাটি ২০১৯ সালের ২৪ জুনের।

ওই সময় থেকে ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত আর সেতু ভেঙে ট্রেন দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেনি।

আগে প্রতিবছর সেতুতে কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটত। সেতু ও রেললাইন সংস্কার করার পর গত এক বছর ৭ মাস ধরে ট্রেন দুর্ঘটনা হয়নি। মূলত সিলেট রুটে ২০টি সেতুর মধ্যে ১৮টি সেতু সংস্কারকাজ সম্পন্ন হওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। বাকি দুটির কাজও শিগগির শুরু হচ্ছে।

চলতি বছরের শুরু থেকে সিলেট রুটের ভাঙা স্লিপার তুলে সেখানে নতুন করে ভালো স্লিপার বসানো হচ্ছে। আখাউড়া-লাকসাম পর্যন্ত ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পে সাশ্রয় হওয়া মিটার গেজের স্লিপারগুলো সিলেট রুটে বসানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে ১২ হাজার স্লিপার বসানোর কাজ শেষ। এ ছাড়া সেতুর ভাঙা স্লিপারগুলোও পরিবর্তন করে এক হাজার স্লিপার বসানো হয়।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, সিলেট রুটে সবচেয়ে বেশি চুরি হয় ক্লিপ বা ইআরসি। চুরি রোধ করা জন্য ক্লিপ লাগানোর পর ওয়েল্ডিং করে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ১ লাখ ৩০ হাজার ক্লিপ লাগানোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সেকারণে ওই রুটে ট্রেনের গতিও আগে থেকে বেড়েছে। দুর্ঘটনাও কমেছে।

শহর থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ মিনিটে

চট্টগ্রাম-ষোলশহর ও ষোলশহর থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) পর্যন্ত ২৬ কিলোমিটার রেললাইনে পিসি স্লিপার এবং ৩ হাজার কিউবিক মিটার ব্যালাস্ট স্প্রেডিং করা হয়েছে। ফলে আগে যেখানে এই রুটে শাটল ট্রেন ঘণ্টায় ৩০ কিলোমিটার (কিমি) গতিতে চলত, সেখানে এখন ৫০ কিমি গতিতে চলবে।

সেক্ষেত্রে এখন ২০ মিনিটে ষোলশহর থেকে চবিতে পৌঁছাবে ট্রেন। ভবিষ্যতে চবি রুটে ঘণ্টায় ৬০ কিমি গতিতে চালানোর উপযোগী করছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সৌজন্যে-বাংলানিউজ

সম্পাদনা-এসপিটি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*