করোনার দ্বিতীয় ঢেউ: চট্টগ্রাম বন্দরে ব্যাপক প্রস্তুতি

বায়েজিদ ডেস্ক :  করোনার প্রথম ঢেউয়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় প্রস্তুত চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। দেশি-বিদেশি জাহাজ ও ইমিগ্রেশন পয়েন্টে নাবিকদের স্ক্রিনিং কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
চালু রাখা হয়েছে বন্দরের সন্দেহভাজন রোগীদের নমুনা সংগ্রহ বুথ, ২৫ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার ও ২৫ শয্যার করোনা ওয়ার্ড।
বন্দর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, করোনা আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৪৬৮ জন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীন চট্টগ্রাম বন্দর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোতাহার হোসেন জানান, সোমবার (২৩ নভেম্বর) চট্টগ্রাম বন্দরে আসা জাহাজের ১৫৩ জন দেশি-বিদেশি নাবিকের স্ক্রিনিং করেছি আমরা। এর মধ্যে ৫ জনকে ইমিগ্রেশন পয়েন্টে স্ক্রিনিং করা হয়।

তিনি জানান, গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে আসা ৩৭ হাজার ৪৪৯ জন নাবিকের স্ক্রিনিং সম্পন্ন করেছি আমরা। এর মধ্যে করোনা রোগের লক্ষণ কারও মধ্যে পাওয়া যায়নি।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক, জেলা সিভিল সার্জন ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় আমাদের কার্যক্রমে কোনো ঘাটতি নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আরও ১০ জন কর্মী বাড়তি দিয়েছেন।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক মিডিয়াকে বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনার প্রথম ধাক্কার লকডাউনের সময়ও দেশের অর্থনীতি, আমদানি-রফতানি, ভোগ্যপণ্যের সাপ্লাই চেন স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দর সার্বক্ষণিক সচল ছিল। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা করে বন্দর সচল রাখার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। করোনা প্রতিরোধ, সুচিকিৎসার ব্যবস্থার পাশাপাশি সচেতনতা সৃষ্টিতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সৌজন্যে-বাংলানিউজ

সম্পাদনা-এসপিটি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*