নুরুল আবছার নূরী: চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুর থানার কাজিরহাট -নাজিরহাট সড়কের দুই পাশে মরা -মানুষের কঙ্কালের মত দাঁড়িয়ে আছে বিশাল আকৃতির কিছু কিছু মরা গাছ। যে কোনো সময় এমরা গাছ ভেঙে সড়কে চলমান যানবাহন ও সাধারণ পথচারীর উপর। এতে বড় ধরনের দূর্ঘটনাসহ যানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি আশংকা করছেন স্হানীয় সচেতন মহল।
গতকাল(৫ জুন) বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় কাজিরহাট -নাজিরহাট সড়ক যেন মৃত্যুর ফাঁদে পরিনত হয়েছে। হারুয়াছড়ি ইউনিয়নের নোয়াহালট থেকে কোম্পানি টিল এলাকা পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে শতাদিক আকশী বাবলাও মেহগনি গাছ শুকিয়ে মরে গেছে। এই সড়কের সুয়াবিল ইউনিয়নের নাজিরহাট অংশে ও একাধিক গাছ মরে দাড়িয়ে আছে।
এসব গাছের ডাল প্রায় ভেঙে পড়েছে সড়কে। এতে আতন্কে চলাচল করছে পথচারীর।স্হানীয় সূত্রে জানা যায় এই সড়কটি নির্মাণের পর ২পাশে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় কয়েক হাজার শিশু আকাশী,বাবলা,মেহগনিসহ কয়েক প্রজাতি গাছের চারা রোপন করা হয়।
কিন্তু ৩/৪বছর ধরে গাছ গুলো মরে যায়। মরা গাছগুলে অপসারণ না করায় সে গুলোর ভিতরে অংশ পোকা খেয়ে ফেলেছে।মাঝে মধ্যেই৷ গাছের ডাল পালা ভেঙে সড়কের উপর পড়ে। স্হানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনও ইউনুছ বলেন মরা গাছ গুলো ভেঙে পড়ে যেই কোনো মুহূর্তে দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। এসব গাছ কেটে আবার নতুন চারা রোপন করলে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। হারুয়ালছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন গাছ গুলো নিয়ে সংলিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট একাধিক বার জানিয়েছি।কিন্তু আইনের জটিলতায় গাছ কাটা সম্ভব হয়নি। উপজেলা প্রকৌশলী বাবু তন্ময় নাথ বলেন কাজিরহাট জি সি -নাজিরহাট জি সি সড়ককে অনেক গুলো গাছ মরে আছে। আমরা উদ্ধধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। শিগগিরিই নিলাম কমিটির মাধ্যমে নিলাম করে বনবিভাগের সাহায্যে গাছ গুলো সরানো হবে।




